প্রধান মেনু

বিত্তবান না হয়েও প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ পালনার্থে মনের উদারতার জোরে হতদরিদ্রের পাশে বাচ্চু

বিশেষ প্রতিনিধিঃ করোনার দুঃসময় দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে। প্রথমদিকে কিছু মানুষ লোক দেখানো কিছু ত্রান দিলেও এখন তারা পিছুটান। বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে এই করোনা মহা দূর্যোগ হিসেবেই আবির্ভূত হয়েছে। হতদরিদ্র মানুষেরা আজ নির্বাক ও অসহায়। লোক দেখানো ত্রান দাতারা আজ ঘরে ঢুকে পড়েছে; যেন তারা লকডাউন সার্থক করতে বদ্ধ ঘরে আবদ্ধ। কিন্তু এর বিপরীতে কিছু মানুষ সেই প্রথম লগ্ন থেকে আজ অবধি করে যাচ্ছেন সাধ্যমত। বিভিন্ন গণমাধ্যম সহ সরেজমিন তদন্ত করে এমন একজন মানুষের খোঁজ পাওয়া গেছে। তিনি নিজেই ততটা বিত্তবান নয় ; তবুও মনের উদারতার জোরে নিয়মিত দরিদ্রদের মাঝে সাহায্য সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে রেখেছেন। নাম তার বাচ্চু মিয়া। আদাবর এলাকার একশো নং ওয়ার্ড যুবলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। জাতীয় গোয়েন্দা সংবাদ এর অনুসন্ধানে এই রাজনীতিবিদ প্রায় চেষ্টা করে থাকেন মানুষের পাশে ভালোবাসা দিয়ে থাকার। করোনার এই দুর্যোগকালীন মুহূর্তেও নিয়মিতভাবে তিনি আছেন তাদের সাথে তবে এও জানা গেল, তিনি ততটা বিত্তবান নয় ; তারপরও তিনি সাধ্যের সর্বোচ্চ দিয়ে আছেন হত দরিদ্রদের মাঝে। যা সত্যি বিস্ময়কর ও প্রশংসার যোগ্য। লোক দেখানো দান নয় বরং খুঁজে খুঁজে সত্যিকার অর্থে যারা চাইতে না পারছে কিংবা খাবার অভাবে ধুঁকে ধুঁকে মরছে এমন মানুষদের কখনো রাতের আঁধারে, কখনো নিজ বাড়িতে ডেকে, আবার কখনো একা একা প্যাকেট করে, একাই পৌঁছে দিচ্ছেন তাদের কাছে। জাতীয় গোয়েন্দা সংবাদ এর অনুসন্ধানে এও জানা গেছে, সরকারদলীয় একজন নেতা হলেও এ পর্যন্ত সরকারের কাছ থেকে বা দলীয়ভাবে কোনরূপ কোন ত্রাণ বন্টনের দায়িত্বে তিনি নেই এরপরেও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মর্যাদা রক্ষার্থে, যুবলীগের পদের সম্মান রক্ষার্থে, বিশেষত মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ পালনার্থে নিজ তহবিল ভেঙে জীবনের সর্বোচ্চ বিলীন করে আছেন অভাবী মানুষের পাশে। বলাবাহুল্য, কিছু ক্ষেত্রে যেখানে রাজনীতিবিদরা মেরে পিঠে হরিলুট করে খাচ্ছে, সরকারি ত্রাণ করছে গ্রাস। এর বিপরীতে নিজ উদ্যোগে আরেক রাজনীতিবিদ বাচ্চু ধারাবাহিকভাবে কখনো শত শত মানুষের মাঝে আবার কখনো প্রতিদিনই খুঁজে খুঁজে মানুষকে দিচ্ছেন খাদ্য সামগ্রী সহ বিভিন্ন সাহায্য সহযোগিতা। এসব ব্যাপারে সাধারণসহ সচেতন মহলের মতামত এমনইতো রাজনীতিবিদ প্রয়োজন এই বাংলায়। তাই তারা বলছেন, ধন্য হোক এমন রাজনীতিবিদের। এমন রাজনীতিবিদকে অন্যান্য রাজনীতিবিদরা পণ্য না করে বরং তাদেরকে দায়িত্বশীল পদ দেয়া হোক, যাতে করে তারা অনন্য ভূমিকা পালন এর মাধ্যমে এগিয়ে যাবে আওয়ামী লীগের রাজনীতি, এগিয়ে যাবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দর্শন। পূরণ হবে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন। সাধিত হবে সোনার বাংলার কাঙ্খিত উন্নয়ন।