প্রধান মেনু

ফরিদপুরে মুন্সী বাজার খেয়া ঘাট ব্রিজটি এখন মরণ ফাঁদ

মাহফুজুর রহমান বিপবঃ ফরিদপুর শহরতলী মুিন্সবাজার খেয়াঘাট কুমার নদীর উপর ব্রীজটি এখন মরণ ফাঁদে পরিনত হয়েছে বলে মনে করছে স্থানীয় এলাকাবাসী। প্রতিদিন কোন না কোন দূর্ঘটনা দেখতে দেখতে এলাবাসীর মনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।সরেজমিনে দেখা যায়, ব্রীজটি আয়তনে বড় হলে ও অনেকটা সরু করে নির্মান করা হয়েছে। ব্রিজের উপর দিয়ে মালামাল ভর্তি বড় কোন যানবাহনে চলাচলের উপযুক্ত নয়,তবুও নিয়ম উপেক্ষা করে বড় বড় যানবাহন গুলো এই ব্রীজ দিয়ে চলাচলা করে থাকে। ফলে সব সময় লেগে থাকে জ্যাম,আর প্রতিদিন ছোট বড় কিছু না কিছু সড়ক দূর্ঘটনার স্বীকার হতে হয় জন সাধারনকে। স্থানীয় এলাকাবাসী জানায়, এই রোডে বিভিন্ন পেশার মানুষ যাতায়াত করে থাকে । কাফুরা,বিলমামুদপুর মল্লিকডাঙ্গী,বোকাইল, ইকরি,খালেকবাজার,জামতলা সহ আশেপাশের গ্রামের সাধারন মানুষ, স্কুল কলেজের ছাত্রছাত্রীরা এই ব্রিজ দিয়ে নিয়মিতভাবে যাতায়াত করে।

এই ছোট ব্রীজ দিয়ে বড় বড় যানবাহন যাতায়াত করার কারনে ছেলেমেয়েদের স্কুল থেকে বাড়ি ফেরা না পর্যন্ত অভিভাবকরা টেনশন করেন। শুধু তাই নয় বেশ কিছু দিন আগে কাফুরা গ্রামের কাসেম ফকির নামে এক ব্যাক্তি কে ঘাতক ট্রাক এই ব্রীজরে উপর চাপা দিয়ে মেরে ফেলে , প্রতিদিন কোন না কোন দূর্ঘটনা এই ব্রীজরে উপর ঘটতে দেখা যায়। স্থানীয় মুদি দোকান ব্যাবসায়ীরা বলেন, এই ব্রীজের উপর দিয়ে বিভিন্ন অঞ্চল থেকে যে পরিমান মাল ভর্তি, ওভাররৈাড মাটি ভর্তি ট্রাক, ডামট্রকি, থ্রিহুইলরি, ছোট বড় বাস, মাইক্রোবাসসহ নানান যানবাহন চলাচল করে থাকে, যার ফলে যে কোন সময় এই ব্রীজ ভেঙ্গে যাওয়ার সম্বাবনা রয়েছে।

যেহেতু ব্রিজ সংলগ্ন ৪ রাস্তার মোড় এখানে তাই রোডে কোন যানবাহন চলাচলা করা বাধা নেই, এমনকি নেই কোনো স্পিড ব্রেকার, সেহেতু এই ব্রীজটি পূনরায় প্রস্থ বাড়িয়ে তৈরী করলে যে কোন যানবাহন চলাচলা করতে পারে অনায়াসে। সেই ভাবে নির্মাণ করার দাবি জানান ভুক্তভোগীরা। এলাকাবাসী আরো জানায় এই ব্রীজের দৈঘ্য এবং প্রস্থ আরো বৃদ্ধি করলে অথবা ব্রীজের সাথে মিলিয়ে আরেকটি ব্রিজ নির্মান করলে একসাথে সব গাড়ী এবং পথচারী পারাপার হতে পারতো ফলে এলাকাবাসীর অনেক সুবিধা হতো। এলাকাবাসীর প্রানের দাবী এই ব্রিজটিকে নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যেন বিশেষ নজর দেন।