প্রধান মেনু

পাইকগাছা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৩৩জনের চিকিৎসা সেবা দিচ্ছেন মাত্র ৩জন ডাক্তার

এস,এম, আলাউদ্দিন সোহাগ, পাইকগাছা (খুলনা) ॥ খুলনার পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অতি সম্প্রতি টিএইচএ’র অবসর ও শিশু বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের বদলীজনিত কারণে ৫০ শয্যার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ৩৩জন ডাক্তারের স্থলে চলছে মাত্র ৩ জন ডাক্তার দিয়ে। চিকিৎসা সংকটে ভুগছে পাইকগাছাবাসী।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, পাইকগাছা উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে ১৯৯৭ সালে ৩১ শয্যার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কার্যক্রম শুরু হয়। ২০০৯ সালের ডিসেম্বরে ৫০ শয্যায় উন্নীত হয়। কিন্তু ৩১ শয্যার জনবল দিয়ে চলছে ৫০ শয্যার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কার্যক্রম। উপজেলার প্রায় ৪ লাখ জনগোষ্ঠিসহ অন্যান্য উপজেলা থেকে এ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে আসে অসংখ্য রোগী। প্রতিদিন বহির্বিভাগে ২/৩শ রোগী চিকিৎসা নিয়ে থাকে।

আন্তঃ বিভাগে কখনও কখনও শতাধিক রোগী ছাড়িয়ে যায়। ভর্তি থাকে ৭০/৮০ জন। বেড ছাড়া যাদের ঠাই হয় বারান্দায়। ১৯৯৯ সালে পাইকগাছা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সিজারিয়ান কার্যক্রম শুরু হয়। সেবার গুনগত মান উন্নত ও কয়েক বছর মাতৃত্ব সেবায় শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করায় ২০০৭ সালে এ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডিএসএফ কার্যক্রম চালু হয়।

এক সময় গাইনী ওয়ার্ডে প্রায় সব সময় ২০/২৫ জন রোগী ভর্তি থাকত। দীর্ঘদিন ধরে এ্যানেসথেসিয়া না থাকায় সিজারিয়ান সহ বিভিন্ন ধরণের অপারেশন বন্ধ রয়েছে। গত ২২ ফেব্র“য়ারি উপজেলা প.প. কর্মকর্তা ডাঃ প্রভাত কুমার দাশ অবসর গ্রহণ করেন এবং শিশু বিশেষজ্ঞ ডাক্তার মিঠুন কুমার দেবনাথ বদলী হওয়ায় ৫০ শয্যার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রয়েছে মাত্র ৩ জন ডাক্তার।

যার মধ্যে ডাঃ সুজন কুমার সরকার প.প. কর্মকর্তা হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন। ফলে বিভিন্ন এলাকা থেকে চিকিৎসা নিতে এসে রোগীরা চিকিৎসা সেবা না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন। এ ব্যাপারে ভারপ্রাপ্ত প.প কর্মকর্তা ডাঃ সুজন কুমার সরকার বলেন, যতদিন পর্যন্ত প্রয়োজনীয় সংখ্যক ডাক্তার না আসবে ততদিন পর্যন্ত পাইকগাছাবাসীকে কিছুটা চিকিৎসা ক্ষেত্রে দুর্ভোগ পোহাতে হবে।