প্রধান মেনু

কালিয়াকৈরে নিজের টাকায় রাস্তা নিমার্ণ করল গ্রামবাসী

কালিয়াকৈর(গাজীপুর)প্রতিনিধি, গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার ঢালজোড়া ইউনিয়নের ঢালজোরা পূর্বপাড়া, শাহপাড়া, সূত্রধরপাড়া, মাঝিপাড়া গ্রামবাসীরা নিজেদের টাকায় রাস্তা নির্মাণ করল। জনপ্রতিনিধিরা নির্বাচনের আগে প্রতিশ্রুতি দিলেও কিন্তু নির্বাচন শেষে তা আর বাস্তবায়ন হয়নি। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানী এলাকাবাসী। এলাকাবাসী ও ইউনিয়ন পরিষদ সূত্রে জানা যায়, কালিয়াকৈর উপজেলার ঢালজোড়া ইউনিয়নের ঢালজোড়া পূর্বপাড়া,সূত্রধরপাড়া, মাঝিপাড়া ও শাহপাড়া এই চারটি পাড়ার লোকজনের একটি মাত্র রাস্তা।

এই রাস্তা দিয়ে বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়, উচ্চ বিদ্যালয়, কলেজ, মসজিদ-মাদ্রাসার শত শত শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন পেশার লোকজন চলাচল করে। এই রাস্তাটি মূলত সরকারি হালট ছিল। রাস্তাটি নিচু হওয়ায় ও শুকনো মৌসুমে প্রায় পুরো রাস্তাটি পানিতে তলিয়ে থাকে। কষ্ট করেই এভাবেই গ্রামবাসী চলাচল করছে বছরের পর বছর। স্থানীয় ইউপি সদস্য, সংরক্ষিত মহিলা সদস্য, ইউপি চেয়ারম্যানের কাছে ওই এলাকার লোকজনের দাবি ছিল একটাই।

সেটি হলো তাদের চলাফেরার জন্য ব্যবহৃত একমাত্র অনুপযোগী রাস্তাটি মাটি ফেলে উচু করে নির্মাণ করা। বিভিন্ন নির্বাচনের আগে প্রার্থীরা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন কিন্তু নির্বাচন শেষে তা আর বাস্তবায়িত হয়নি। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কাছে ওই রাস্তার দাবি নিয়ে গেলেও তা আর ব্যস্থবায়ন হয়নি এতে গ্রামবাসী ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। সেই ক্ষোভ থেকে অভিমান করে নিজেরাই রাস্তাটি নির্মাণের উদ্যোগ নেন। সামর্থ্য অনুযায়ী চাঁদা দিলেন প্রত্যেকেই।

এরপর কোনো শ্রমিক নিয়োগ না দিয়ে নিজেরাই নেমে রাস্তার পানি সেচে রাস্তাটি শুকনো করেন। এ কাজে অংশ গ্রহণ করেন ছোট-বড় থেকে শুরু করে ধনী-গরিব, উচ্চপদস্থ পেশাজীবী, স্কুল, কলেজ, মসজিদ-মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা। সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, প্রায় ১৫শ ফুট এই রাস্তটিা দিয়ে ঢালজোড়া পূর্বপাড়া, ঢালজোড়া সূত্রদরপাড়া, ঢালজোড়া মাঝিপাড়া, ঢালজোড়া শাহপাড়া এই চারটি পাড়ার লোকজনেরা চলাচল করেন।

প্রায় অর্ধ মাস কাজ চালিয়ে সড়কটির চলাচলের জন্য কোন রকমে উপযোগী নির্মাণ কাজ শেষ করেছেন এলাকাবাসী। রাস্তাটির দৈর্ঘ্য প্রায় ১৫শ ফুট এবং প্রস্থ্য ১২ফিট । ঐ এলাকাবাসির উদ্যোগতাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন মোঃ জাহাঙ্গীর আলম ’সোহরাব সহ সকলের সম্মতিতে রাস্তাটি নির্মাণ করা হয়। তন্মধ্যে সাজনধারা গ্রামের খোরশেদ আলম ছিলেন সহযোগীতার অন্যতম ব্যাক্তি। পরে তারা পাঁচশ থেকে দশ হাজার টাকা পর্যন্ত যারযতটুকু সাধ্য অনুপাতে সকলে মিলে রাস্তা নির্মাণ করেন।

ঢালজোরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আক্তারুজ্জামান বলেন,সরকারের বরাদ্ধ অনুপাতে আমাদের কাজ করতে হয় তাই অনেক সময় সবকিছু করা সম্বব হয়না।তবে আমি বলেছি সরকারের বরাদ্ধ পেলেই আমি রাস্তাটি করে দিব।এলাকাবাসির উদ্যোগে করেছে এটা ভাল কথা।তবে রাস্তা উদ্ভোধনের সময় আমাকে বলে নাই। কালিয়াকৈর উপজেলা প্রকল্প পরিচালক মোঃ আল মামুন জানান বিষয়টি আমার জানা নেই